
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট | ১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়ায় রুশ তেল সরবরাহের পাইপলাইন সচল করেছে ইউক্রেন। এর পরপরই কিয়েভের অভ্যন্তরীণ ব্যয় মেটানোর জন্য ৯০ বিলিয়ন ইউরো ঋণ অনুমোদন করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
ঋণের পাশাপাশি মস্কোর ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের একটি প্যাকেজও অনুমোদন দিয়েছে ইইউ। পরিকল্পনা অনুযায়ী, কিয়েভ নিজ তহবিল থেকে ঋণ শোধ করবে না। যুদ্ধ শেষে রাশিয়া ক্ষতিপূরণ দিতে শুরু করলে সেখান থেকে অর্থ কেটে রাখা হবে। তা না করলে, ইউরোপে জব্দ হওয়া মস্কোর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রায় ২১০ বিলিয়ন সম্পদকে ঋণ পরিশোধে কাজে লাগানো হতে পারে।
কিয়েভকে ঋণ অনুমোদনের ঘোষণাটি এসেছে হাঙ্গেরি তাদের দেওয়া ভেটো প্রত্যাহারের পর। ইইউ-এর বর্তমান সভাপতি দেশ সাইপ্রাস জানিয়েছে, সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতরা ঋণ ও নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ‘লিখিত প্রক্রিয়া’ শুরু করতে রাজি হয়েছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যে উভয় বিষয়ে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর হওয়ার কথা আছে।
ইইউ গত ডিসেম্বরেই এই ঋণের বিষয়ে একমত হয়েছিল। তবে একটি ক্ষতিগ্রস্ত তেলের পাইপলাইন নিয়ে ইউক্রেনের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হয় হাঙ্গেরির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানের। সে বিরোধ থেকেই ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত অরবান ইউক্রেনের ঋণ প্রস্তাবে ভেটো দেন। তখন স্লোভাকিয়াও তাঁকে সমর্থন দেয়।
রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল দ্রুজবা নামের পাইপলাইনের মাধ্যমে হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়ায় সরবরাহ করা হয়। যুদ্ধের কারণে সেই লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। অরবান অভিযোগ তুলেছিলেন, ইউক্রেন ইচ্ছাকৃতভাবে পাইপলাইন মেরামতে দেরি করছে।
এই পাইপলাইন দিয়ে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৪ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ করা হয়। ইউক্রেনের দাবি, এটি রুশ ড্রোনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। হাঙ্গেরির তেল কোম্পানি এমওএল স্থানীয় সময় বুধবার জানায়, তেল সরবরাহ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার নাগাদ তা হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়ায় পৌঁছাতে পারে।
