বৃহস্পতিবার ২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Advertise with us

মুড়িকাটা পেঁয়াজে চাষির আয় হবে ৫১২ কোটি টাকা

অর্থনীতি ডেস্ক   |   বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৬৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

মুড়িকাটা পেঁয়াজে চাষির আয় হবে ৫১২ কোটি টাকা

অনুকূল আবহাওয়া থাকায় মুড়িকাটা পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে রাজশাহীতে। জেলার চাষিদের এই পেঁয়াজ থেকে এবার আয় হবে ৫১২ কোটি টাকার বেশি। জেলা কৃষি অফিস এমন প্রাক্কলন করেছে।
কৃষি অফিস জানিয়েছে, রাজশাহী জেলায় আট হাজার ৩৪৪ হেক্টর জমিতে এবার মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষ হয়। এতে এক লাখ ৪৮ হাজার ১০৬ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। ইতোমধ্যে ৯৫ শতাংশ পেঁয়াজ উঠেছে চাষির ঘরে। বাজার ভালো থাকায় দামও মিলছে ভালো। প্রতি হেক্টরে এবার পেঁয়াজের গড় ফলন হয়েছে ১৭ দশমিক ৭৫ টন। প্রতি কেজি পেঁয়াজ গড়ে ৩৫ টাকা কেজি ধরলে এর মূল্য আসে ৫১২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক পাপিয়া রহমান মৌরী সমকালকে বলেন, দেশে তিনবার পেঁয়াজ চাষ হয়। এর মধ্যে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ আগেই ঘরে উঠেছে। এখন উঠেছে মুড়িকাটা বা কন্দ পেঁয়াজ। এর ফলন খুবই ভালো হয়েছে। দাম থাকায় চাষিরা এবার লাভবান হয়েছেন। তিনি বলেন, বর্তমানে চারা পেঁয়াজের আবাদ হচ্ছে। চারা বা আল পেঁয়াজ এবার আবাদ হয়েছে ১২ হাজার ১১ হেক্টর জমিতে। এতে ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ২২৫ টন।
চাষিদের অনেকে মনে করেন, দেশে পেঁয়াজ উৎপাদনের মাধ্যমে পুরো চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। কিন্তু বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আনলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হন। পেঁয়াজ আমদানি করলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হন। এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ আবাদে কৃষকের ব্যয় হয় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা। সরকারিভাবে সহায়তা দিয়ে উৎপাদন ব্যয় কমানো যেতে পারে।
বাঘা উপজেলার পেঁয়াজচাষি শফিকুল ইসলাম ছানা বলেন, তিন দফায় দেশে প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ আবাদ হয়। উৎপাদনও ভালো হয়। কিন্তু ফসল উঠার সময় প্রতিবছর বিদেশ থেকে আমদানি করে পেঁয়াজের দর পতন করা হয়। এতে চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। তিনি বলেন, আমদানি নয়, বরং বাজার মনিটরিং শক্তভাবে করা গেলে সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানোর সুযোগ পাবেন না ব্যবসায়ীরা।

Facebook Comments Box
বিষয় :
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us
সম্পাদক
শেখ জাহাঙ্গীর আলম
যোগাযোগ