Advertise with us
শিরোনাম
Price Sensitive Information for Bay Leasing & Investment Limited স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী ইরাক-ইয়েমেন থেকে সৌদিতে হামলা করেছে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠী ব্রাজিলে বিদেশি হস্তক্ষেপ মানবে না চীন, লুলাকে শি মেসি যতদিন ইচ্ছা ততদিন খেলবে: ডি মারিয়া সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত: প্রধানমন্ত্রী ৬০ দেশে নতুন মার্কিন শুল্ক, বাংলাদেশের ওপর ১০% সব দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাসে আন্দোলন প্রত্যাহার ককরোচ জনতা পার্টির ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগে প্রিয়াঙ্কা, বিজয়, সোনাক্ষীদের প্রতিক্রিয়া মেসি কি তবে ব্রাজিলেরও? গবেষণায় উঠে এলো নতুন তথ্য
Advertise with us

সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব কমলো

জাতীয় ডেস্ক   |   শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১২৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব কমলো

জাতীয় সংসদে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত নারী প্রতিনিধিত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাত্র সাতজন নারী প্রার্থী জয়ী হয়েছেন, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬৮ নারী প্রার্থীর মধ্যে ২২ জন বিজয়ী হন। ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ৯৬ নারী প্রার্থীর মধ্যে জয় পান ১৯ জন।

কিন্তু দ্বাদশ সংসদ ভেঙে দেওয়ার প্রায় দেড় বছর পর অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা এবং বিজয়ের হার– দুটিই কমেছে। এবার ১ হাজার ৯৮১ প্রার্থীর মধ্যে নারী ছিলেন মাত্র ৮১ জন, যা মোট প্রার্থীর ৪ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।

এর আগে ২০১৪ সালের দশম সংসদে ২৯ নারী প্রার্থীর মধ্যে ১৮ জন সরাসরি নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে ৫৯ নারী প্রার্থীর মধ্যে জয়ী হন ১৯ জন। ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৮ প্রার্থীর মধ্যে ছয়জন, ১৯৯৬ সালের জুনের নির্বাচনে ৩৮ জনের মধ্যে ছয়জন এবং ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ৩৬ জনের মধ্যে আটজন নারী জয়ী হয়ে সংসদে যান। ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদে ৩৯ নারী প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজন জয়ী হয়েছিলেন।

এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সাত নারী এমপির মধ্যে ছয়জনই বিএনপি মনোনীত প্রার্থী। আরেকজন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী।

বেসরকারিভাবে নির্বাচিত নারী প্রার্থীরা হলেন– মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খান রিতা, ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ, ফরিদপুর-৩ আসনে নায়াব ইউসুফ কামাল, ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, সিলেট-২ আসনে তাহসিনা রুশদীর লুনা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে রুমিন ফারহানা এবং নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমিন পুতুল।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খান রিতা ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুহাম্মদ সাঈদ নূর পান ৬৪ হাজার ২৪২ ভোট। আফরোজা সাবেক মন্ত্রী হারুনুর রশীদ খান মুন্নুর কন্যা।

ফরিদপুর-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে শামা ওবায়েদ পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৪ ভোট। তাঁরও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. আকরাম আলী, যিনি পান ৮৯ হাজার ৩০৫ ভোট।

ফরিদপুর-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইউসুফ কামাল ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৪৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবদুত তাওয়াব, যিনি পান ১ লাখ ২৪ হাজার ১১৫ ভোট।
ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো ১ লাখ ১৩ হাজার ৪১৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর এসএম নেয়ামুল করিম পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫৫৬ ভোট।

সিলেট-২ আসনে তাহসিনা রুশদীর লুনা পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৫৬ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের মুনতাছির আলী পান ৩৮ হাজার ৬৩৫ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রুমিন ফারহানা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তিনি বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। জোট মনোনীত প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবিবের চেয়ে ৩৭ হাজার ৫৬৮ ভোট বেশি পান তিনি।
নাটোর-১ আসনে বিএনপির ফারজানা শারমিন পুতুল ১ লাখ ২ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবুল কালাম আজাদ পান ৯০ হাজার ৫৬৮ ভোট।

Facebook Comments Box
বিষয় :
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us

ফলো করুন Orthonity Bangladesh-এর খবর

সম্পাদক
শেখ জাহাঙ্গীর আলম
যোগাযোগ