
খেলাধুলা ডেস্ক | সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট | ৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

২০২৬ বিশ্বকাপের পর লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে আলোচনা চলছেই। তবে আর্জেন্টিনার সাবেক উইঙ্গার অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার বিশ্বাস, মেসি যতদিন চাইবেন ততদিনই জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারবেন। ৩৯ বছর বয়সেও তার পারফরম্যান্স প্রমাণ করে, এখনো সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলার সামর্থ্য রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
সম্প্রতি ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রালের একটি ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে মেসি, লিওনেল স্কালোনি এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দল নিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন বিশ্বকাপজয়ী এই ফুটবলার। সেখানেই মেসির অবসর গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে এই স্পষ্ট বার্তা দেন ডি মারিয়া।
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালকেই মেসি আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজের শেষ ম্যাচ হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন বলে সতীর্থ লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পরই মূলত গুঞ্জন জোরালো হয়। তবে দীর্ঘদিনের পরম বন্ধু ও জাতীয় দলের সাবেক সতীর্থ ডি মারিয়া মনে করেন, সিদ্ধান্তটা পুরোপুরি মেসির হাতেই থাকা উচিত।
ডি মারিয়া বলেন, ‘লিও (মেসি) যতদিন ইচ্ছা ততদিন খেলা চালিয়ে যেতে পারে। আমি মনে করি, সে আরও বহু বছর খেলা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে। ৩৯ বছর বয়সেও সে প্রমাণ করেছে যে সে বিশ্বসেরাদের একজন এবং ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম সেরা হয়েই থাকবে। তার খেলার কোনো সীমা বা শেষ নেই।’
আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির ভবিষ্যৎ নিয়েও কথা বলেন ডি মারিয়া। এএফএর সঙ্গে স্কালোনির বর্তমান চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। তবে তাকে দায়িত্বে দেখতে চান সাবেক এই উইঙ্গার। তিনি বলেন, ‘স্কালোনি আমাদের জাতীয় দলের মূল কাণ্ডারি। আমি চাই, সে দায়িত্বে থাকুক। সে তরুণদের নিয়ে দারুণ একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলছে, যা ভবিষ্যতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সিদ্ধান্ত অবশ্যই তার, কিন্তু একজন আর্জেন্টাইন হিসেবে আমি চাই, সে কোচ হিসেবে থেকে যাক।’
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার পারফরম্যান্স নিয়েও কথা বলেন। ফাইনালে শিরোপা হাতছাড়া হলেও দলের অর্জনের প্রশংসা করেন তিনি। তার ভাষায়, ‘গত কয়েক বছরে ছেলেরা যা অর্জন করেছে, তার জন্য তারা শুধু করতালিই নয়, আরও অনেক বেশি সম্মানের দাবিদার।’
বিশ্বকাপের স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়কে বেছে নেন ডি মারিয়া। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় মুহূর্ত ছিল ইংল্যান্ডকে হারানো। সেই জয় দেশের মানুষকে অসাধারণ এক আনন্দ দিয়েছে। একজন ফুটবলারের জন্য এর চেয়ে সুন্দর অনুভূতি খুব কমই আছে।’
