Advertise with us
শিরোনাম
Price Sensitive Information for Bay Leasing & Investment Limited স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী ইরাক-ইয়েমেন থেকে সৌদিতে হামলা করেছে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠী ব্রাজিলে বিদেশি হস্তক্ষেপ মানবে না চীন, লুলাকে শি মেসি যতদিন ইচ্ছা ততদিন খেলবে: ডি মারিয়া সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত: প্রধানমন্ত্রী ৬০ দেশে নতুন মার্কিন শুল্ক, বাংলাদেশের ওপর ১০% সব দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাসে আন্দোলন প্রত্যাহার ককরোচ জনতা পার্টির ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগে প্রিয়াঙ্কা, বিজয়, সোনাক্ষীদের প্রতিক্রিয়া মেসি কি তবে ব্রাজিলেরও? গবেষণায় উঠে এলো নতুন তথ্য
Advertise with us

‘নতুন সামরিকবাদ’ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান জাপানের, চীনের সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক   |   রবিবার, ৩১ মে ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৬৬ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

‘নতুন সামরিকবাদ’ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান জাপানের, চীনের সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে উদ্বেগ

চীনের পক্ষ থেকে তোলা ‘নতুন সামরিকবাদ’ অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি। তিনি অভিযোগ করেছেন, চীন দ্রুত তাদের সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে, যা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের বিষয়।

সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত এশিয়ার শীর্ষ নিরাপত্তা সম্মেলন শাংরি-লা ডায়ালগে কোইজুমি বলেন, চীনের প্রতিরক্ষা ব্যয় ও সামরিক কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা জাপানসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।

তিনি বলেন, ‘যেখানে একটি দেশের কাছে বিশাল পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার ও কৌশলগত বোমার বহর রয়েছে, সেখানে জাপানের এমন কোনো অস্ত্র নেই। তবুও জাপানকে ‘নতুন সামরিকবাদী’ বলা হচ্ছে- এটা বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।’

এদিকে চীন দীর্ঘদিন ধরে জাপানের প্রতিরক্ষা নীতির পরিবর্তনকে সমালোচনা করে আসছে। বিশেষ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী শান্তিপূর্ণ অবস্থান থেকে সরে এসে জাপানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোকে বেইজিং ‘নব্য সামরিকবাদ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

অন্যদিকে চীনের প্রতিনিধি মেজর জেনারেল মেং শিয়াংকিং জাপানের সমালোচনা করে বলেন, ইতিহাসে সামরিক আগ্রাসনের অভিজ্ঞতা থাকা একটি দেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা আলোচনায় বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ।

দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে মূলত তাইওয়ান ইস্যুকে কেন্দ্র করে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি গত বছর মন্তব্য করেছিলেন, চীন যদি তাইওয়ানে সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তবে জাপানও প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে- এরপর থেকেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জটিল হয়ে ওঠে।

তবে উত্তেজনার মধ্যেও আলোচনার দরজা খোলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কোইজুমি। তিনি বলেন, জাপান আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চীনসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে সংলাপে আগ্রহী।

তিনি আরও জানান, জাপান এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও সামরিক সক্ষমতা জোরদারে কাজ করছে, এবং ‘চাপ বা বিভ্রান্তি নয়, বরং স্বচ্ছ ও স্থিতিশীল অঞ্চল গড়ে তুলতে চায়’।

এর আগে, এপ্রিল মাসে জাপান তাদের প্রতিরক্ষা রপ্তানি নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনে, যার ফলে যুদ্ধজাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম বিদেশে রপ্তানির পথ আরও সহজ হয়।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us

ফলো করুন Orthonity Bangladesh-এর খবর

সম্পাদক
শেখ জাহাঙ্গীর আলম
যোগাযোগ