বৃহস্পতিবার ২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Advertise with us

অবতরণের মুহূর্তে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীসহ নিহত ৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক   |   বুধবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৪৯ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

অবতরণের মুহূর্তে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীসহ নিহত ৪

উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে নিহত হয়েছেন ভারতের মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী ও এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার। বুধবার সকালে মহারাষ্ট্রের পুনে জেলার বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।অজিত পাওয়ার মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শরদ পাওয়ারের ভাতিজা।

উড়োজাহাজটিতে আরও চারজন ছিলেন যাদের সবাই মারা গেছেন বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি। উড়োজাহাজে ছিলেন ৬৬ বছর বয়সী অজিত, তাঁর পিএসও, একজন সহকারী এবং দুইজন ক্রু সদস্য।

দুর্ঘটনার পর উড়োজাহাজে আগুন ধরে যায়। দুর্ঘটনার ছবি ও ভিডিওতে উড়োজাহাজটি দাউদাউ করে জ্বলতে দেখা গেছে। আগুন নেভানোর চেষ্টা করে দমকল। ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যদের দেখা গেছে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচারের জন্য প্রাইভেট উড়োজাহাজে মুম্বাই থেকে বারামতী যাচ্ছিলেন মহারাষ্ট্রের ‘জোট’ সরকারের অন্যতম শরিক অজিত পাওয়ার। উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হওয়ার পরই তাতে আগুন ধরে যায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধার কাজ।

এনডিটিভি জানিয়েছে, অজিত পাওয়ার সকাল ৮টার দিকে মুম্বাই থেকে রওনা হয়েছিলেন। তাঁর নিজের এলাকা বারামতিতে চারটি নির্বাচনী সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল। লিয়ারজেট-৪৫ বিমানটি ভিএসআর ভেঞ্চারস দ্বারা পরিচালিত হতো।

অজিত পাওয়ারের জীবনী
অজিত পাওয়ারের জন্ম ১৯৫৯ সালের ২২ জুলাই মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর জেলার দেওলালি প্রভারায়। তাঁর বাবা অনন্তরাও পাওয়ার মুম্বাইয়ের (তৎকালীন বোম্বে) বিখ্যাত রাজকমল স্টুডিওতে কাজ করতেন। বাবার মৃত্যুর পর তাঁর শিক্ষাজীবন বন্ধ হয়ে যায়। তিনি মহারাষ্ট্র রাজ্য বোর্ড থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) স্তর পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন।

১৯৮২ সালে ২৩ বছর বয়সে তিনি একটি সমবায় চিনি কারখানার বোর্ডে নির্বাচিত হন। তখন তাঁর চাচা শারদ পাওয়ার রাজ্য রাজনীতিতে একজন প্রতিষ্ঠিত কংগ্রেস নেতা হয়ে উঠেছিলেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

এ বিভাগের আরও খবর

সম্পাদক
শেখ জাহাঙ্গীর আলম
যোগাযোগ