শনিবার ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Advertise with us
Advertise with us

এলএনজিতে ভর্তুকি দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার

অর্থনীতি ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৩৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

এলএনজিতে ভর্তুকি দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজির দাম দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। এ কারণে এলএনজিতে ভর্তুকির চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়। চলতি অর্থবছরের এলএনজির ভর্তুকির জন্য আট হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। প্রথম দিকে ভর্তুকির তেমন দরকার হয়নি। যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম দুই মাসের ভর্তুকির বরাদ্দ প্রায় শেষ হয়ে গেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার পর এখন এলএনজি আমদানির বিপরীতে প্রতি মাসে চার হাজার কোটি টাকার বেশি ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কার্গোর ডেলিভারি হওয়ার ১৫ থেকে ১৭ দিনের মধ্যে পাওনা পরিশোধ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে কারণে ভর্তুকির অর্থ দ্রুত পরিশোধ করতে হচ্ছে।

সূত্র জানায়, গত এপ্রিল মাসে এলএনজি আমদানিতে পেট্রোবাংলার ঘাটতির পরিমাণ ছিল চার হাজার ২২০ কোটি টাকা। এর বিপরীতে ওই মাসের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে একই পরিমাণ অর্থ ভর্তুকি হিসেবে বরাদ্দ চাওয়া হয়। তবে অর্থ মন্ত্রণালয় ভর্তুকি বাবদ এপ্রিলে দুই হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় করেছে, যা আমদানি ব্যয় মেটাতে পরিশোধ করেছে পেট্রোবাংলা।

চলতি মে মাসে ১১টি কার্গো আমদানি করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে আরও তিন হাজার ৫০০ কোটি টাকা ভর্তুকি ছাড় করার অনুরোধ করে সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, মে মাসে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় দুই কার্গো, স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় এক কার্গো ও স্পট মার্কেট থেকে আট কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে। এর মধ্যে প্রথম ১৫ দিনে ছয় কার্গো ও পরের ১৫ দিনে পাঁচ কার্গো এলএনজি আমদানি হবে।

মোট ১১ কার্গো এলএনজি আমদানিতে ব্যয় হবে সাত হাজার ৭৩০ কোটি টাকা, যা বিক্রি করে পেট্রোবাংলা পাবে তিন হাজার ৬৩০ কোটি টাকা। ফলে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে চার হাজার ১০০ কোটি টাকা। এরমধ্যে মে মাসের ভর্তুকি হিসেবে বরাদ্দ রয়েছে মাত্র ৫০০ কোটি টাকা। তবে মে মাসের ভর্তুকির চাহিদা মেটাতে অতিরিক্ত তিন হাজার ৬০০ কোটি টাকা চেয়েছে জ্বালানি বিভাগ।

জ্বালানি বিভাগ চিঠিতে জানিয়েছে, এলএনজি আমদানির পর নির্ধারিত সময়ে ইনভয়েস পরিশোধে ব্যর্থ হলে লেট পেমেন্ট চার্জ বাবদ সিকিউরড ওভারনাইট ফাইন্যান্সিং রেটের (এসওএফআর) সঙ্গে ৪ থেকে ৫ শতাংশ যোগ করে সুদ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে আমদানি মূল্য পরিশোধ করা না গেলে লেট পেমেন্ট চার্জ এবং এলএনজি মূল্যের ওপর সম্ভাব্য অতিরিক্ত প্রিমিয়াম চার্জ আরোপ হলে ঘাটতির পরিমাণ আরও বেড়ে যাবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০ 

ফলো করুন Orthonity Bangladesh-এর খবর

সম্পাদক
শেখ জাহাঙ্গীর আলম
যোগাযোগ