
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | ৪০ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

পারমাণবিক বিরোধ মেটানোর জন্য ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র কয়েকটি নীতিমালার ওপর সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, বিষয়টি এখনই কোনো চুক্তি করার পর্যায়ে যায়নি।
মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ওমানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা হয়। এতে অগ্রগতির বিষয়ে আরাগচি মন্তব্য করার পরপরই তেলের বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা দেখা দেয়। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ শতাংশের বেশি কমে যায়। মূলত এই আলোচনার মাধ্যমে সংঘাতের আশঙ্কা কমে যাওয়াতেই তেলের দামে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
জেনেভায় আলোচনা শেষে ইরানের গণমাধ্যমকে আব্বাস আরাগচি বলেন, ‘উপস্থাপন করা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত আমরা কিছু নির্দেশিকা নীতিমালার বিষয়ে সাধারণ ঐকমত্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি।’
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনার। ওয়াশিংটনের মতামত জানতে যোগাযোগ করা হলেও হোয়াইট হাউস কোনো উত্তর দেয়নি।
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি সামাজিক মাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়ে জানিয়েছেন, এখনও অনেক কাজ বাকি। তবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র ‘পরবর্তী সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের’ রূপরেখা নিয়ে আলোচনা শেষ করেছে।
মঙ্গলবার আলোচনা শুরু হওয়ার পরপরই ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, রেভোলিউশনারি গার্ডের সামরিক মহড়া ও নিরাপত্তাজনিত কারণে তারা বৈশ্বিক তেল সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালীর একটি অংশ বন্ধ রাখবে। যখনই কোনো সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে তখনই এই প্রণালী বন্ধের হুমকি দিয়েছে তেহরান। বাস্তবেই তারা প্রণালীটি বন্ধ করে দিলে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। অপরিশোধিত তেলের দামও বাড়বে।
