
অর্থনীতি ডেস্ক | বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৪১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

রাজধানীর উপকণ্ঠে রূপগঞ্জের পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে চলমান ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বিভিন্ন পণ্যে দেওয়া হচ্ছে মূল্যছাড়। কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে আছে নানা ধরনের অফার। এতে সন্তুষ্ট ক্রেতা-দর্শনার্থীরা। তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী বিক্রি না হওয়ায় হতাশার কথাও জানিয়েছেন বিভিন্ন স্টল-প্যাভিলিয়নের কর্মীরা।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলের পর থেকে মেলা প্রাঙ্গণে ক্রেতা-দর্শনার্থীর ভিড় বাড়তে থাকে। কসমেটিকস, পোশাক, ক্রোকারিজ ও রান্নার সামগ্রীর স্টলগুলোতে তুলনামূলক বেশি ভিড় দেখা যায়। খাবারের স্টলেও ছিল দর্শনার্থীদের সরব উপস্থিতি। কারও নজর ঘর সাজানোর সামগ্রীতে, কারও আগ্রহ সাজগোজের পণ্যে। তরুণ-তরুণী, বয়স্কদের পাশাপাশি শিশুদের উপস্থিতিতে মেলা প্রাঙ্গণ ছিল উৎসবমুখর।
মেলা প্রাঙ্গণে দেখা যায়, পরিবার-পরিজন কিংবা বন্ধুদের নিয়ে অনেকেই স্টল ঘুরে ঘুরে পছন্দের পণ্য দেখছেন ও কিনছেন। কেউ আড্ডায় মেতেছেন, কেউবা ছবি তুলছেন। অনেক ক্রেতার নজর রয়েছে ছাড়ের দিকে। তাই এক স্টল থেকে অন্য স্টলে ঘুরে ঘুরে দাম যাচাই করছেন তারা। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে বিক্রেতারাও দিচ্ছেন বিভিন্ন ধরনের ছাড় ও উপহার।
ঢাকার মিরপুরের পল্লবী থেকে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরিবার নিয়ে মেলায় এসেছি। এক জায়গায় প্রয়োজনীয় অনেক পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। বাচ্চাদের বিনোদনের ব্যবস্থাটাও ভালো লেগেছে।’ গাজীপুরের সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘পোশাক আর ঘর সাজানোর জিনিস দেখতে এসেছি। কয়েকটি স্টলে ভালো ছাড় পেয়েছি। খোলামেলা পরিবেশে ঘুরতে স্বস্তি লাগছে।’
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বাসিন্দা আব্দুল কাদের বলেন, ‘প্রতিবছরই বাণিজ্য মেলায় আসি। এবার কিছু পণ্যে ছাড় ভালো পাওয়া যাচ্ছে। তবে আগের তুলনায় ক্রেতার ভিড় কিছুটা কম মনে হলো।’
বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে এসেছেন নরসিংদীর মাধবদী থানার কলেজ শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদ। তিনি বলেন, ‘খাবারের স্টল আর বাংলাদেশ স্কয়ার অংশটা বেশ ভালো লেগেছে। ইতিহাসভিত্তিক বিভিন্ন বিষয় তরুণদের জন্য প্রয়োজনীয়।’
চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানার বাসিন্দা নাসরিন আক্তার বলেন, ‘ঢাকায় বেড়াতে এসে মেলায় এসেছি। বিভিন্ন দেশের পণ্য একসঙ্গে দেখতে পেরে ভালো লাগছে। শিশুদের রাইডগুলো থাকায় বাচ্চারাও খুব উপভোগ করছে।’
গৃহস্থালি কিছু পণ্য কেনার জন্য মেলায় এসেছেন বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘এক জায়গায় সব পাওয়া যাচ্ছে। কিছু স্টলে ছাড় আরও বাড়লে সাধারণ মানুষের জন্য সুবিধা হবে।’
