
খেলাধুলা ডেস্ক | শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট | ৭৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

চীনের সঙ্গে টক্কর দিয়েছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। সেই হিসাবে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কোনো লড়াই করতে পারেনি আফঈদা খন্দকার-ঋতুপর্ণা চাকমারা। নারী এশিয়ান কাপে সিডনির ওয়েস্টার্ন সিটি স্টেডিয়ামে গতকাল উত্তর কোরিয়ার কাছে ৫-০ গোলে হারকে অনেকেই বড় হিসেবে দেখছেন। তবে দলের এই ফলাফলে হতাশ নন কোচ পিটার বাটলার। বড় পরাজয়ে লজ্জার কিছু দেখছেন না তিনি।
ম্যাচ শেষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে শিষ্যদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাটলার, ‘আজ (শুক্রবার) আমরা একটি অসাধারণ দলের বিপক্ষে খেলেছি। সম্ভবত এশীয় ফুটবলের অন্যতম সেরা, যদি সেরা না-ও হয়। আমরা সত্যিকারের ফুটবলের শিক্ষা পেয়েছি। টেকনিক ও টেকনিক্যাল সক্ষমতার দিক থেকে উত্তর কোরিয়া আজ আমাদের চেয়ে অনেক অনেক এগিয়ে ছিল। আমরা তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারিনি এবং ৫-০, ৬-০ বা ৭-০ গোলে হেরে যাওয়া কোনো লজ্জার বিষয় নয়। আমি মেয়েদের সমালোচনা করতে পারি না, কারণ, আমরা সেই স্তরে নেই এবং আমাদের নিজেদের কাছে সৎ হতে হবে। আমি মেয়েদের প্রচেষ্টায় এবং তারা যা করেছে তার জন্য গর্বিত।’
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৯ নম্বরে থাকা উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে লড়াইটি অসম হয়েছে বলে মনে করেন বাটলার, ‘আমাদের একঝাঁক চমৎকার মেয়ে আছে, কিন্তু আপনি যদি উত্তর কোরিয়ার প্রোফাইল দেখেন, তাদের সামর্থ্য, কৌশল এবং শারীরিক উপস্থিতি– আমরা তাদের আটকাতে পারছিলাম না। এটি একটি সম্পূর্ণ অসম লড়াই ছিল। দুর্ভাগ্যবশত, আমার মনে হয়েছে আমাদের কিছু মেয়ে রোদে নুয়ে পড়েছিল এবং আমরা আসলে নিজেদের প্রতি সুবিচার করতে পারিনি।’
চীনের ম্যাচের মতো গতকালও গোলপোস্টের নিচে দুর্দান্ত ছিলেন মিলি আক্তার। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই গোলকিপারের প্রশংসা করেছেন বাটলার, ‘মিলি একজন সত্যিকারের ব্যক্তিত্ব এবং সে একজন সৈনিক। তার জেদ ও উদ্দীপনার প্রশংসা আপনাকে করতেই হবে। তার সঙ্গে কাজ করা দারুণ, সে এই সুযোগটি পাওয়ার যোগ্য এবং মেয়েটির জন্য আমার শুধু প্রশংসাই আছে। মাঝে মাঝে তাকে অনেক চাপের মুখে পড়তে হয়েছে, তবে হ্যাঁ, এশিয়ান কাপের মতো এই স্তরে আসার পর আমাদের গোলকিপিং বিভাগটি একটি দুর্বল জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছিল, কিন্তু মিলির ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।’
