বৃহস্পতিবার ১৬ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

বাংলাদেশসহ বন্ধুরাষ্ট্রের জন্য হরমুজ খোলা রাখবে ইরান, টোল আদায়ে বিল তৈরি হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৩৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

বাংলাদেশসহ বন্ধুরাষ্ট্রের জন্য হরমুজ খোলা রাখবে ইরান, টোল আদায়ে বিল তৈরি হচ্ছে

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ওপর টোল আদায়ের জন্য একটি আইন তৈরির চেষ্টা করছে ইরানের পার্লামেন্ট (মজলিস)। দেশটির গণমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

পার্লামেন্টের স্থায়ী কমিটির প্রধান জানিয়েছেন, ‘একটি খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে তা এখনো পূর্ণাঙ্গ বিলের পর্যায়ে পৌঁছায়নি।’ ইরানি গণমাধ্যমের দাবি, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সম্ভাব্য টোলের পরিমাণ কত হতে পারে, সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কিছু জানানো হয়নি।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার রাতে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত একটি সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ইরান এখন পর্যন্ত চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক ও ভারতের জাহাজ চলাচলের অনুরোধ গ্রহণ করেছে। প্রণালিটি কেবল শত্রুদের জন্য বন্ধ আছে।

এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সাক্ষাৎকারে আব্বাস আরাগচি বাংলাদেশের নামও উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আপনারা খবরে চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক ও ভারতকে দেখেছেন। কয়েক রাত আগে তাদের দুটি জাহাজ পার হয়েছে। এছাড়া, আরও কিছু দেশ, এমনকি আমার বিশ্বাস বাংলাদেশও। এই দেশগুলো আমাদের সঙ্গে কথা বলে সমন্বয় করেছে। এটি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, এমনকি যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরেও।’

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী- আরাগচি আরও বলেন, ‘অনেক জাহাজ মালিক বা জাহাজগুলোর মালিকানাধীন দেশগুলো আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। প্রণালি দিয়ে তাদের নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। এই দেশগুলোর মধ্যে যাদের আমরা বন্ধুপ্রতিম মনে করি, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী তাদের নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা করে দিয়েছে।’

জিসিসির ক্ষোভ
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের পদক্ষেপে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপসাগরীয় দেশগুলোর সহযোগিতা পর্ষদের (জিসিসি) মহাসচিব আল-বুদাইউই। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুদাইউই বলেছেন, ইরানের কর্মকাণ্ড সব সীমা অতিক্রম করেছে।

আল-বুদাইউই বলেন, তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে এবং চলাচলের জন্য ফি নির্ধারণ করছে। এটি এক ধরনের আগ্রাসন এবং সমুদ্র আইন বিষয়ক জাতিসংঘের চুক্তির লঙ্ঘন।

জিসিসি মহাসচিব বলেছেন, আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জিসিসিভুক্ত দেশগুলো বিশ্ব অর্থনীতির ফুসফুস। তারা ১৬ বিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করে। যা বিশ্বের মোট উৎপাদনের ২২ শতাংশ।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us
সম্পাদক
শেখ জাহাঙ্গীর আলম
যোগাযোগ