Advertise with us
শিরোনাম
মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন ফিরোজ আলম ও আব্দুল হান্নান এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক হলেন ব্যবসায়ী ফজলুল হক ৪ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন, মুনাফা বেড়েছে দুটির রূপালী ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ জনতা ব্যাংকে নিয়মিত পদোন্নতির পাশাপাশি সুপারনিউমারারি পদোন্নতির দাবি বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব ড. মো. সাহেদুল ইসলাম ইউসিবিরি ডিএমডি হিসেবে যোগ দিলেন সুফিয়া আক্তার চীনের কারখানা খাতের কার্যক্রম জুলাইয়ে কমেছে ব্যাংকারের প্রধান দায়িত্ব আমানতের নিরাপত্তা দেওয়া: বিকেবি চেয়ারম্যান টেস্ট বাণিজ্য ও অপ্রয়োজনীয় সিজারের বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
Advertise with us

প্রথম দিনে টাইফয়েডের টিকা পেল ১০ লাখ শিশু

জাতীয় ডেস্ক   |   সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   ২৯৯ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

প্রথম দিনে টাইফয়েডের টিকা পেল ১০ লাখ শিশু

প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে সারাদেশে টাইফয়েডের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার সারাদেশে টাইফয়েডের টিকা পেয়েছে ১০ লাখ শিশু। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৮ কর্মদিবসে প্রায় পাঁচ কোটি টিকা প্রদানের লক্ষ্য রয়েছে। সেই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৭ লাখ ৭৮ হাজার শিশুকে টিকা দিতে হবে।

গতকাল সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ইপিআই) ডা. মো. শাহরিয়ার সাজ্জাদ বলেন, নিবন্ধন পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী বিকেল ৪টা পর্যন্ত সাত লাখের বেশি শিশু টিকা পেয়েছে। এর বাইরে নিবন্ধন ছাড়া যারা টিকা নিয়েছে, তাদের তথ্য রাতের মধ্যে সিস্টেমে হালনাগাদ করা হবে। আমাদের ধারণা, প্রথম দিনেই ১০ লাখের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। তবে টিকার প্রদানে গতি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।

এর আগে সকালে রাজধানীর আজিমপুরে স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা কেন্দ্রে মাসব্যাপী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নূরজাহান বেগম বলেন, টাইফয়েডে এখনও আমাদের দেশের শিশুরা মারা যায়। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। বাংলাদেশ ডায়রিয়া ও রাতকানা নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে, এবার টাইফয়েড প্রতিরোধেও সফল হবে। সচেতনতা ও টিকাদানের মাধ্যমে এই রোগ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

যদি প্রতিটি শিশুর কাছে এই টিকা পৌঁছে দেওয়া যায়, তাহলে টাইফয়েডে মৃত্যুর হার প্রায় শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। এই উদ্যোগ আমাদের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।

অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ বলেন, টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি শুধু একটি স্বাস্থ্য প্রকল্প নয়, বরং এটি দেশের শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সরকারের এই উদ্যোগ দুর্বল জায়গায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটিতে টিকাদান

সরকার জানিয়েছে, প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে এক ডোজ করে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিকাদান কার্যক্রম চলবে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত। এরপর ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়া হবে। পথশিশুদের টিকাদানে সহায়তা করবে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো। ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সপ্তাহে পাঁচ দিন করে মোট ১৮ কর্মদিবসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিকা দেওয়া হবে। এর বাইরে শনিবার ও অন্যান্য দিনে নিয়মিত টিকাদান কেন্দ্রে এ কার্যক্রম চলবে।

ডিএনসিসিতে প্রতিদিন ৭২ হাজার শিশুকে টিকা

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) জানিয়েছে, তাদের আওতাধীন এলাকায় প্রতিদিন গড়ে ৭২ হাজার শিশু টাইফয়েডের টিকা পাচ্ছে। গতকাল রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।

ডিএনসিসি বলছে, ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত তাদের ১০ অঞ্চলে মোট ১২ লাখ ৯৪ হাজার ৬৯ শিশুকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে দুই হাজার ১৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাত লাখ ৬০ হাজার ৭৯০ ছাত্রছাত্রী এবং ৬৫৬টি ইপিআই কেন্দ্রে পাঁচ লাখ ৩৩ হাজার ২৭৯ শিশু এই টিকা পাবে। কার্যক্রম চলবে সকাল ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, জন্মনিবন্ধন না থাকা শিশুদের স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের সহায়তায় টিকা দেওয়া হবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertise with us

ফলো করুন Orthonity Bangladesh-এর খবর

সম্পাদক
শেখ জাহাঙ্গীর আলম
যোগাযোগ