শনিবার ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Advertise with us
Advertise with us

ডলারের মজুদ আপদকালীন সময়ের জন্য পর্যাপ্ত নয়: অর্থ উপদেষ্টা

অর্থনীতি ডেস্ক   |   বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   ২০৯ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ডলারের মজুদ আপদকালীন সময়ের জন্য পর্যাপ্ত নয়: অর্থ উপদেষ্টা

বর্তমানে যে পরিমাণ ডলারের মজুদ রয়েছে তা দেশের আপদকালীন সময়ের জন্য পর্যাপ্ত নয় বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার কিনছে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয়ক সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

ডলারের চাহিদা কমে গেছে, তাই ডলারের বিনিময় হারও কমে যাওয়ার কথা। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক বাজার থেকে সাম্প্রতিক সময়ে ২ মিলিয়ন ডলার কিনে নিয়ে বিনিময় হার একই পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করছে। যা আমাদের আমদানিকারকদের জন্য চাপ হয়েছে যাচ্ছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ডলারের দাম কিছুটা যদি স্থিতিশীল না থাকলে খারাপ প্রভাব পড়বে। যারা রেমিট্যান্স পাঠায় তাদের বিষয়টাও দেখতে হবে। কারণ ওরাইতো আমাদের চালিকা শক্তি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক কিনছে এটা ঠিক। কিন্তু এখন আমাদের কাছে যে ডলার আছে সেটা দেশের আপদকালীন সময়ের জন্য পর্যাপ্ত নয়। যদি দেশে বড় ধরনের কোনো সমস্যার কারণে দ্রুত কিছু আমদানির কারার প্রয়োজন পড়ে তাহলে চাপ তৈরি হবে। তাছাড়া ডলার শুধু আমদানির জন্য ব্যবহার করা হয়, সেটাও ভুল ধারণা। তাই বাড়তি ডলার না থাকলে বিপদ হবে।

নিজের গভর্নর থাকাকালীন সময়ের অভিজ্ঞতার শেয়ার করে বলেন, ২০০৭–২০০৮ সালের দিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ সিডর ও আইলার কারণে অনেক ঝামেলা হয়েছিল। সে সময় নানাভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। সুতরাং এসবের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ঠিক করছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও কিছুটা বাড়ানো দরকার।

উল্লেখ্য, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে ২০২২ সাল থেকে বাংলাদেশে ডলারের দাম বাড়তে শুরু করে। তাতে ডলারের সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে বড় ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে প্রতি ডলারের দাম ৮৫ টাকা থেকে বেড়ে ১২২ টাকায় পৌঁছায়। এতে দেশের অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যায়, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তোলে। বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে প্রচুর ডলার বিক্রি করেও দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে অর্থ পাচার রোধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ায় প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয় দুটোই বেড়েছে। এতে বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে ডলারের দাম কমে আসার কথা। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার কিনে দাম স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে। এর ফলে একদিকে যেমন বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছে, অন্যদিকে ডলারের দামও ১২০ টাকার ওপরে থাকছে।

সম্প্রতি পিপিআরসি বলে বর্তমানে জিনিসপত্রের দামের জন্য ৭০ শতাংশ মানুষ অস্বস্তিতে আছে, সে বিষয়ে আপনি কী বলবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, পিপিআরসির প্রতিবেদন তিনি দেখেছেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০ 

ফলো করুন Orthonity Bangladesh-এর খবর

সম্পাদক
শেখ জাহাঙ্গীর আলম
যোগাযোগ