শনিবার ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Advertise with us
Advertise with us

জাহাজ শিল্পে খেলাপি ঋণ পুনঃতপশিলের মেয়াদ বাড়ল

অর্থনীতি ডেস্ক   |   বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১৪৯ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

জাহাজ শিল্পে খেলাপি ঋণ পুনঃতপশিলের মেয়াদ বাড়ল

জাহাজ নির্মাণ শিল্পে খেলাপি ঋণ বিশেষ পুনঃতপশিলের সময়সীমা বাড়াল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরভিত্তিক খেলাপি ঋণ পুনঃতপশিলের আবেদন করা যাবে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ডাউনপেমেন্ট বা এককালীন জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে। গতকাল এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সব ব্যাংকে পাঠানো হয়। ২০২৩ সালে দেওয়া জাহাজ শিল্পের খেলাপি ঋণ পুনঃতপশিলের জন্য দেওয়া বিশেষ সুবিধার মেয়াদ বাড়িয়ে এই সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, জালজালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্ট ঋণ এবং ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতাদের এ সুবিধা দেওয়া যাবে না। পুনঃতপশিল বা পুনর্গঠন সুবিধার ক্ষেত্রে স্থগিত হিসাবে রক্ষিত সুদ এবং অনারোপিত সুদ আলাদা ‘ব্লকড’ হিসাবে স্থানান্তরের পর অবশিষ্ট স্থিতির ওপর ৩ শতাংশ ডাউনপেমেন্ট নিতে হবে। আবেদনের সঙ্গে দেড় শতাংশ এবং কার্যকর হওয়ার পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে অবশিষ্ট ডাউনপেমেন্ট নিতে হবে। দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১০ বছরের জন্য এ সুবিধা দেওয়া যাবে। গ্রাহকের আবেদন পাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে যা নিষ্পত্তি করতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, রপ্তানিমুখী ও স্থানীয় জাহাজ নির্মাণ শিল্পে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরভিত্তিক শ্রেণিকৃত ঋণে বিশেষ পুনঃতপশিল বা পুনর্গঠন সুবিধা দেওয়া যাবে। ব্যবসা ও রপ্তানি কার্যক্রম চলমান রাখতে নতুন ঋণ সুবিধার ক্ষেত্রে বিশেষ পুনঃতপশিল বা পুনর্গঠিত ঋণের বিপরীতে ‘কম্প্রোমাইজ অ্যামাউন্ট’ প্রদানের আবশ্যকতা থাকবে না। পুনঃতপশিলের পর গ্রাহক কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে যথানিয়মে খেলাপি হবে। এ ধরনের ঋণের ঝুঁকি বিবেচনায় ব্যাংক প্রভিশন রাখবে। পুনঃতপশিল পরবর্তী ডাউন পেমেন্ট বা ছয়টি মাসিক বা দুটি ত্রৈমাসিক কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে ব্যাংক আলোচ্য বিশেষ সুবিধা বাতিল এবং ঋণ আদায়ে আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারবে। এ ধরনের ঋণ ভবিষ্যতে আর পুনঃতপশিল বা পুনর্গঠন করা যাবে না।
নির্দেশনায় বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রাহক নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত কারণে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কিনা ব্যাংক থেকে বিশেষ পরিদর্শনের মাধ্যমে তা নিরূপণ করতে হবে। বিশেষ পরিদর্শনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হলে ক্ষতির পরিমাণ পর্যালোচনার মাধ্যমে স্বীয় বিবেচনায় ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের গুণগতমানে শ্রেণিকরণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করতে পারবে।

Facebook Comments Box
বিষয় :
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০ 

ফলো করুন Orthonity Bangladesh-এর খবর

সম্পাদক
শেখ জাহাঙ্গীর আলম
যোগাযোগ