সোমবার ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Advertise with us

ক্যাম্পাসের প্রিয় মুখদের নিয়ে প্যানেল করতে চায় ছাত্র সংগঠনগুলো

বিশেষ প্রতিবেদন ডেস্ক   |   শনিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   ৩৮১ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ক্যাম্পাসের প্রিয় মুখদের নিয়ে প্যানেল করতে চায় ছাত্র সংগঠনগুলো

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সর্বশেষ ১৯৮৭ সালে তৎকালীন জগন্নাথ কলেজে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ৩৮ বছর পর ফের নির্বাচনের ঘোষণা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করেছে। এ নির্বাচনকে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। জকসু নির্বাচনের প্রত্যাবর্তনকে গণতন্ত্রচর্চার সুযোগ হিসেবে দেখছেন তারা।

এদিকে, নির্বাচন সামনে রেখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে সক্রিয় বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন এরইমধ্যে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করেছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের আস্থা আছে—এমন প্রার্থীদের নিয়ে প্যানেল গঠনের দিকে মনোযোগ ছাত্র সংগঠনগুলোর। এক্ষেত্রে স্বচ্ছ ইমেজের প্রার্থীদের নিয়ে ‘ইনক্লুসিভ’ প্যানেল গঠনে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর পাশাপাশি কিছু স্বতন্ত্র শিক্ষার্থীও আংশিক বা পূর্ণাঙ্গভাবে নিজেদের প্যানেল গঠনের চেষ্টা করছে।

জকসু নির্বাচন ঘিরে চারটি রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন অন্তত তিনটি প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে। শাখা ছাত্রদল ও শাখা ছাত্রশিবির ইনক্লুসিভ প্যানেল গঠনের পরিকল্পনা করছে। অন্যদিকে জাতীয় ছাত্রশক্তি ও ছাত্র অধিকার পরিষদ যৌথভাবে একটি প্যানেল গঠনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এছাড়া নিজেদের শক্তিশালী করতে একজোট হচ্ছে বাম সংগঠনগুলো।

জবি শাখা ছাত্র সংগঠনগুলো সূত্রে জানা যায়, জকসু নির্বাচন ঘিরে চারটি রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন অন্তত তিনটি প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে। শাখা ছাত্রদল ও শাখা ছাত্রশিবির ইনক্লুসিভ প্যানেল গঠনের পরিকল্পনা করছে। অন্যদিকে জাতীয় ছাত্রশক্তি ও ছাত্র অধিকার পরিষদ যৌথভাবে একটি প্যানেল গঠনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে না পারলেও এই দুই দলের মধ্যে আলোচনা চলছে। এছাড়া নিজেদের শক্তিশালী করতে একজোট হচ্ছে বাম সংগঠনগুলো।

‘আমরা এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাইনি। দলের ভেতর ও বাইরে থেকে যারা আগ্রহ দেখিয়েছেন আমরা তাদের সমর্থন দিচ্ছি, যাচাই-বাছাই চলছে। নারী ও সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে একটি ইউনিক প্যানেল গঠনের চেষ্টা চলছে।’ —শামসুল আরেফিন, সদস্যসচিব, জবি শাখা ছাত্রদল

ইউনিক প্যানেলের প্রচেষ্টা ছাত্রদলের
শাখা ছাত্রদল সূত্রে জানা যায়, জকসু নির্বাচনে শীর্ষ তিন পদ— ভিপি, জিএস ও এজিএস। এর মধ্যে ছাত্রদলের প্যানেলে দুটি পদে পরিচিত ও জনপ্রিয় নারী প্রার্থী থাকতে পারেন। এর মধ্যে অন্তত একজন ছাত্রদলের বাইরে থেকে আসতে পারেন বলে জানা গেছে। সংগঠনের বাইরেও ক্যাম্পাসের পরিচিত মুখ এমন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তারা আলোচনা করছে। এছাড়া অন্যান্য পদে একাডেমিক, ক্রীড়া বা অন্যান্য ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করতে পারে ছাত্রদল। প্যানেলে ৫-৭ জন প্রার্থী সংগঠনের বাইরের হতে পারে।

‘আমরা অন্তর্ভুক্তিমূলক প্যানেল গঠনের চেষ্টায় আছি। প্যানেলে শিবির, ছাত্রী সংস্থা এবং সংগঠনের বাইরের শিক্ষার্থীরাও থাকবে।’—মো. রিয়াজুল ইসলাম, সভাপতি, ইসলামী ছাত্রশিবির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

এ বিষয়ে জবি শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন বলেন, ‘আমরা এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাইনি। দলের ভেতর ও বাইরে থেকে যারা আগ্রহ দেখিয়েছেন আমরা তাদের সমর্থন দিচ্ছি, যাচাই-বাছাই চলছে। নারী ও সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে একটি ইউনিক প্যানেল গঠনের চেষ্টা চলছে।’

মেধাবী ও পরিচিত মুখদের টানছে শিবির
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরও তাদের সাংগঠনিক কাঠামোর বাইরে থেকে নারী শিক্ষার্থী ও অন্য শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্যানেল গঠনের চেষ্টা করছে। শীর্ষ তিন পদের অন্তত একজন প্রার্থী সংগঠনের বাইরের হতে পারে বলে জানা গেছে। তবে প্যানেল গোছাতে কোন পদটি ছাড়বে মিত্রের জন্য তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এছাড়া ছাত্রশিবির তাদের সহযোগী সংগঠন ছাত্রী সংস্থা থেকে নারী শিক্ষার্থীসহ জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া এবং সমমনা শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করতে পারে।

‘আমাদের প্যানেলে সর্বোচ্চ অন্তর্ভুক্তি ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবো। এতে বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠন, নারী শিক্ষার্থী এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীরাও থাকবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদেরও প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে।’—ইভান তাহসীব, সভাপতি, জবি শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট

সংগঠনের বাইরেও ক্যাম্পাসের মেধাবী মুখ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির শিক্ষার্থীদের প্যানেলে টানার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে শিবির। বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে ক্যাম্পাসে যারা সক্রিয় ছিলেন তাদেরও প্যানেলে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত শিবিরের প্যানেল চূড়ান্ত হয়নি বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. রিয়াজুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা অন্তর্ভুক্তিমূলক প্যানেল গঠনের চেষ্টায় আছি। প্যানেলে শিবির, ছাত্রী সংস্থা এবং সংগঠনের বাইরের শিক্ষার্থীরাও থাকবে।’

এক হচ্ছে ছাত্র অধিকার ও জাতীয় ছাত্রশক্তি
দীর্ঘদিন পৃথকভাবে রাজনীতি করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি ও ছাত্র অধিকার পরিষদ। অন্যান্য ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভরাডুবির পর জকসুতে যৌথ প্যানেল গঠনের আলোচনা চলছে এই দুই সংগঠনের মধ্যে। প্যানেল গঠনে মেধাবী মুখ ও বিগত সময়ের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

এ বিষয়ে জবি শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি এ কে এম রাকিব বলেন, ‘ছাত্রশক্তির সঙ্গে আলোচনা অনেকটাই এগিয়েছে, তবে কিছু বিষয়ে এখনো আলোচনা চলছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।’

জবি শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। প্যানেলে নারী ও সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণ করবেন।

এক প্যানেলে নির্বাচন করতে চায় বাম সংগঠনগুলো
জকসু ঘিরে বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলোও একক প্যানেল গঠনের বিষয়ে আলোচনা করছে। অন্যান্য ক্যাম্পাসে একাধিক প্যানেলে নির্বাচন করার পর ভরাডুবির বিষয়টি মাথায় রেখে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বাম সংগঠনগুলোর প্যানেলে এমন শিক্ষার্থীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে যারা রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত না হলেও ক্যাম্পাসে বিভিন্ন প্রগতিশীল কর্মকাণ্ডে সক্রিয়।

এ বিষয়ে জবি শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি ইভান তাহসীব জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমাদের প্যানেলে সর্বোচ্চ অন্তর্ভুক্তি ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবো। এতে বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠন, নারী শিক্ষার্থী এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীরাও থাকবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদেরও প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে।’

রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর বাইরে, ক্যাম্পাসে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় শিক্ষার্থীরাও স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। আবার ক্যাম্পাসে সক্রিয় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি পৃথক প্যানেল হতে পারে বলেও আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

জকসু নির্বাচনের খসড়া আচরণবিধি প্রকাশ
জকসু নির্বাচনের খসড়া আচরণবিধি প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। গত বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) রাতে জকসুর নিজস্ব ওয়েবসাইটে এ বিধিমালা প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত আচরণবিধিতে প্রার্থীর যোগ্যতা-অযোগ্যতা নিয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। নির্বাচনি প্রচারণার বিষয়ে প্রার্থীদের বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা উল্লেখ করা হয়েছে আচরণবিধিতে। জকসু নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার বিষয়টি জানানো হয়েছে।

যা আছে আচরণবিধিতে
আচরণবিধিতে বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী ফৌজদারি অপরাধে শাস্তিপ্রাপ্ত হলে ভোটাধিকার ও প্রার্থিতা বাতিল হবে। কোনো শিক্ষার্থী শৃঙ্খলা পরিপন্থি ও যৌন অপরাধ সংগঠিত অথবা এ জাতীয় অপরাধে শাস্তিপ্রাপ্ত হলে তিনি ভোটাধিকার হারাবেন এবং নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে‌ন।

আচরণবিধিতে আরও বলা হয়েছে, শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজে যুক্ত থাকার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কোনো প্রার্থী শাস্তিপ্রাপ্ত হলে ওই শাস্তির মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। তবে শাস্তি ভোগের মেয়াদ শেষ হলে এবং নিয়মিত শিক্ষার্থীর মর্যাদা ফিরে পেলে তিনি নির্বাচনে ভোটার ও প্রার্থী হওয়ার অধিকার ফিরে পাবেন। কোনো শিক্ষার্থী যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত অপরাধে শাস্তিপ্রাপ্ত হলে তিনি নির্বাচনে অযোগ্য বলে গণ্য হবেন।

প্রচারণার বিষয়ে যা বলা হয়েছে আচরণবিধিতে
নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণার বিষয়ে স্পষ্ট দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে আচরণবিধিতে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ক্লাস বা পরীক্ষা চলার সময় শ্রেণিকক্ষে বা পরীক্ষার হলরুমে নির্বাচনি প্রচারণা চালানো যাবে না। ক্যাম্পাসে যে কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে আচরণবিধিতে।

একজন প্রার্থী হল সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ও কেন্দ্রীয় সংসদে ১৫ হাজার টাকা ব্যয় করতে পারবেন। ভোটারদের কোনোরূপ উপঢৌকন দিতে পারবেন না প্রার্থীরা। এছাড়া নির্বাচনি প্রচার চালানোর সময় কারও ব্যক্তিগত চরিত্র হরণমূলক বক্তব্য, বিদ্বেষমূলক ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া যাবে না বলে জানানো হয়েছে।

প্রার্থীদের ডোপ টেস্টের সিদ্ধান্ত কমিশনের
জকসু নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত আচরণবিধিতে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।

বিধিমালার ৩ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, ‘কমিশন প্রত্যেক প্রার্থীর ডোপ টেস্টের মাধ্যমে মাদকাসক্তির বিষয়টি পরীক্ষা করবে এবং মাদকাসক্ত প্রমাণিত হলে উক্ত প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে। কেউ ডোপ টেস্টে অনুপস্থিত থাকলে তার মনোনয়নপত্র স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা।

সার্বিক বিষয়ে জকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান বলেন, রোববার আমাদের মিটিং আছে। সেই মিটিংয়ে নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নির্বাচনের নির্দিষ্ট কোনো তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি। এ বিষয়ে পরে জানানো হবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us
সম্পাদক
শেখ জাহাঙ্গীর আলম
যোগাযোগ