শুক্রবার ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

কৃষিঋণ মওকুফে বাজেট থেকে ১৫৬৭ কোটি টাকা ছাড়

অর্থনীতি ডেস্ক   |   সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৭৫ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

কৃষিঋণ মওকুফে বাজেট থেকে ১৫৬৭ কোটি টাকা ছাড়

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে বাজেট থেকে এক হাজার ৫৬৭ কোটি টাকা ছাড় করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ‘অপ্রত্যাশিত ব্যয়’ খাত থেকে এই অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ-সংক্রান্ত এক আদেশে বলা হয়েছে, ক্ষুদ্র কৃষকদের ওপর ঋণের চাপ কমাতে সরকার এই অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করবে।

আদেশে উল্লেখ করা হয়, সংশোধিত বাজেটে অর্থ বিভাগের অধীন ‘অপ্রত্যাশিত ব্যয়’ খাত থেকে এক হাজার ৫৬৭ কোটি ৯৬ লাখ ৩৩ হাজার ৪৮০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই বরাদ্দ অর্থ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সংশোধিত বাজেটে প্রতিফলিত হবে এবং সংশোধিত কর্তৃত্বের অংশ হিসেবে গণ্য হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত হয়। নির্বাচনী ইশতেহারে এটা বিএনপির প্রতিশ্রুতি ছিল। মোট ১৩ লাখ ১৭ হাজার ৪৯৮ জন কৃষক এ ঋণ মওকুফের সুবিধা পাবেন।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফের টাকা পাবে ১৫টি ব্যাংক। এর মধ্যে রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক আটটি। এগুলো হচ্ছে কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক বা রাকাব, সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বেসিক ও আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক। এ ছাড়া বেসরকারি ব্যাংক রয়েছে সাতটি। এগুলো হচ্ছে ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, উত্তরা ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংক।

সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঋণ মওকুফ-সংক্রান্ত সব তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক যাচাই করে পর্যায়ক্রমে নিরীক্ষা (অডিট) সম্পন্ন করবে। এরপর নিরীক্ষিত চূড়ান্ত হিসাব কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের কাছে পাঠাবে। সেই হিসাবের ভিত্তিতেই সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে অর্থ পরিশোধ করবে।

এই অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত আরোপ করেছে অর্থ বিভাগ। এর মধ্যে রয়েছে— খেলাপি হওয়ার পর আরোপিত হয়নি এমন সুদ ব্যাংকগুলোকে নিজ নিজ পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিয়ে মওকুফ করতে হবে। ব্যাংকগুলোর সাসপেন্স হিসাবে স্থানান্তরিত প্রায় ১৩৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে নিজ উদ্যোগে অবলোপন করতে হবে। ঋণ আদায়সংক্রান্ত কোনো মামলা থাকলে তা ব্যাংকগুলোকে প্রত্যাহার করতে হবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us
সম্পাদক
শেখ জাহাঙ্গীর আলম
যোগাযোগ