Advertise with us
শিরোনাম
Advertise with us

ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে কাজ করছে জামায়াত, অভিযোগ রিজভীর

রাজনীতি ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   ৬২১ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে কাজ করছে জামায়াত, অভিযোগ রিজভীর

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ‘পতিত ফ্যাসিস্টদের’ সঙ্গে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, তারা ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাচ্ছেন। এই দলটি আওয়ামী লীগকে সন্তুষ্ট করার জন্য কাজ করছে। প্রতিটি ঘটনায় তারা আওয়ামী লীগের সঙ্গে, আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক হয়ে কাজ করেছেন।

বৃহস্পতিবার নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, কখনোই কোনো রক্ত পিপাসু, গণতন্ত্র ধ্বংসকারী এবং নিজের দেশে গণহত্যাকারী শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান বা পুনর্জাগরণের সুযোগ বাংলাদেশে নাই। এদেশের মানুষ মধ্যপন্থি, এদেশের মানুষ ধর্মভীরু কিন্তু গণতন্ত্র প্রিয়। তারা কথা বলতে চায় নির্ভয়ে, তারা এক-দুই বেলা কম খেলেও তাদের কণ্ঠের আওয়াজ তীব্র করতে চায়। সে দেশের মানুষকে জোর করে ফ্যাসিবাদের নতুন ধারায় নিয়ে আসতে চাইলে জনগণ তা হতে দেবে না।

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর টেলিসংলাপ ভয়ংকর উল্লেখ করে রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা সরাসরি গুলির নির্দেশ দিচ্ছেন- এসব অডিও ক্লিপ শুনলে শিহরিত হতে হয়। আমরা যারা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি, আন্দোলন করেছি, রাজনীতি করেছি তারা শেখ হাসিনার বর্বরতা স্বচক্ষে দেখেছি, নিজেরা উৎপীড়নের শিকার হয়েছি, দিনের পর দিন রিমান্ডে থেকেছি, মাসের পর মাস জেলখানায় থেকেছি। তার ভয়াবহতা আমরা দেখেছি। কিন্তু এর গভীরে যে আরও ভয়াবহতা ছিলো- তারা একটি আন্দোলনকে দমানোর জন্য কী ভয়ংকর পরিণতির দিকে নিয়ে গিয়েছিলো সেটা এখন প্রতিদিনকার আলামত থেকে বুঝা যায়। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোন কথোপকথনের যে বিষয়গুলো উপস্থাপন করা হচ্ছে তাতেই আমাদের মধ্যে উদ্বেগ-শঙ্কা দেখা দিচ্ছে।

কতিপয় উপদেষ্টা-আমলার কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলে রিজভী বলেন, এই অন্তবর্তী সরকারের কিছু উপদেষ্টার কর্মকাণ্ডে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠছে। আজকের গণমাধ্যমে এসেছে, উপদেষ্টা সজীব ভূঁইয়া তার নিজ এলাকায় সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ নিয়েছেন। প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা। এটা এক ধরনের বৈষম্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কাজ। তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের এলাকা উন্নয়নের নামে ভবিষ্যতে এমপি হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

তিনি বলেন, একজন উপদেষ্টা কিংবা একজন সরকারি উচ্চ পর্যায়ের আমলা কী নিজের এলাকায় হাজার হাজার কোটি টাকার সরকারি বরাদ্দ নিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালাতে পারেন? সারা দেশকে বঞ্চিত রেখে এটি করা সম্পূর্ণরূপে অনৈতিক এবং নীতিবিরোধী। আমরা শুনেছি, কেবিনেট সচিব একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রতি অনুগত। তিনি হয়তো অবসরের পরে নির্বাচনেও অংশ নিতে পারেন। এটি দুঃখজনক এবং সরকারি শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতার পরিপন্থী।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertise with us

ফলো করুন Orthonity Bangladesh-এর খবর

সম্পাদক
শেখ জাহাঙ্গীর আলম
যোগাযোগ