রবিবার ২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

জেট ফুয়েলের দাম বাড়ানোকে ‘অযৌক্তিক’ বলল এওএবি, পুনর্বিবেচনার দাবি

অর্থনীতি ডেস্ক   |   মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ২৯ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

জেট ফুয়েলের দাম বাড়ানোকে ‘অযৌক্তিক’ বলল এওএবি, পুনর্বিবেচনার দাবি

দেশে জেট ফুয়েলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ৮০ শতাংশ বাড়ানোকে ‘অযৌক্তিক’ বলে উল্লেখ করে তা দ্রুত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে এভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এওএবি)। সংগঠনটির মতে, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে দেশের বিমান খাত বড় ধরনের চাপে পড়বে।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এওএবি জানায়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) হঠাৎ করেই জেট এ-১ জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে, যা বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের দাম প্রতি লিটারে ১১২ টাকা ৪১ পয়সা থেকে বেড়ে ২০২ টাকা ২৯ পয়সা হয়েছে। আর আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে প্রতি লিটার ০.৭৩৮৫ ডলার থেকে বেড়ে ১.৩২১৬ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

এওএবি’র সেক্রেটারি জেনারেল মফিজুর রহমান বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই—সরকার নিজেই তা জানিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় ২৫টি তেলবাহী জাহাজ দেশে এসেছে এবং সেগুলো আগের দামে কেনা হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারেও তেলের দাম নিম্নমুখী। এমন অবস্থায় ভবিষ্যতের সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধিকে ভিত্তি করে এত বড় দাম বাড়ানো যৌক্তিক নয়।

তিনি আরও বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে এই বৃদ্ধি অস্বাভাবিকভাবে বেশি। যেখানে ভারত ও নেপাল দাম অপরিবর্তিত রেখেছে, সেখানে পাকিস্তানে প্রায় ২৪.৪৯ শতাংশ এবং মালদ্বীপে ১৮.৫৪ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে—কিন্তু বাংলাদেশে তা প্রায় ৮০ শতাংশ।

এওএবি আশঙ্কা করছে, নতুন এই দাম কার্যকর হলে দেশের এয়ারলাইন্সগুলো মারাত্মক আর্থিক চাপে পড়বে। এর প্রভাব পড়বে সরাসরি যাত্রীদের ওপর—বিশেষ করে অভ্যন্তরীণ রুটে ভাড়া বাড়তে পারে। পাশাপাশি জেট ফুয়েলের ওপর বাড়তি করের কারণে পরিচালন ব্যয় আরও বেড়ে যাবে, যা পুরো এভিয়েশন খাতের জন্য নেতিবাচক হবে।

সংগঠনটি সতর্ক করে বলেছে, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

এ অবস্থায় সরকারকে দ্রুত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে এওএবি। তাদের মতে, বাস্তবসম্মত মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমেই দেশের এভিয়েশন খাতের স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা সম্ভব।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us
সম্পাদক
শেখ জাহাঙ্গীর আলম
যোগাযোগ