
অর্থনীতি ডেস্ক | রবিবার, ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৩৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

রপ্তানি বাণিজ্যে প্রতিযোগী সক্ষমতা বাড়াতে সম্ভাবনা বিবেচনায় এক্সেসরিজ ‘পেপার এবং প্যাকেজিং’ পণ্যকে ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছে সরকার। ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনীতে গতকাল শনিবার এ ঘোষণা দেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
এক্সেসরিজ খাতের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএপিএমইএ) সভাপতি হিসেবে সরকারের এ উদ্যোগে আমি অত্যন্ত খুশি। আমরা উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের সব ধরনের এক্সেসরিজ আমরাই সরবরাহ করে থাকি। প্রচ্ছন্ন রপ্তানি পণ্য হিসেবে এক্সেসরিজ খাতের অবদানকে এতদিন খুব বেশি আমলে নেওয়া হয়নি। অথচ গত অর্থবছর ৭৪৮ কোটি ডলারের এক্সেসরিজ রপ্তানি হয়েছে।
বর্ষপণ্য ঘোষণার ফলে রপ্তানি খাতের অন্যান্য বড় পণ্যের মতো এক্সেসরিজ খাতও সরকারের নানা নীতিসহায়তা পাবে। এক্সেসরিজ খাতের প্রধান সমস্যা হচ্ছে, বেশ কিছু পণ্যের কাঁচামাল আমদানিতে আমরা শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাই না। এই হার আমাদের মোট আমদানির অন্তত ২০ শতাংশ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ রয়েছে। আশা করছি, শুল্ক সমস্যা থাকবে না।
দ্বিতীয় বড় সমস্যা নগদ সহায়তা। রপ্তানি খাতের অন্তত ২০ ধরনের পণ্য নগদ সহায়তা পেয়ে থাকে। অথচ রপ্তানিতে বড় অবদান সত্ত্বেও এক্সেসরিজ এই সুবিধা পায় না। রপ্তানিতে নগদ সহায়তা পাওয়া যাবে বলে তারা আশা করছেন। তৃতীয় বড় সমস্যা হচ্ছে, মেশিনারিজ আমদানিতে কম শুল্ক সুবিধা আমরা পাই না। বর্ষপণ্য ঘোষণার ফলে এই সুবিধা পাওয়া যাবে বলে আমরা আশা করছি। সব মিলিয়ে এক্সেসরিজ শিল্পে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, উৎপাদন ও রপ্তানিতে বড় ধরনের আশাবাদ তৈরি হলো।
মো. শাহরিয়ার, সভাপতি, বিজিএপিএমইএ
