
অর্থনীতি ডেস্ক | বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৪৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

চেক ডিজঅনার-সংক্রান্ত মামলার বিচারিক এখতিয়ার নির্ধারণে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ‘নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারির মাধ্যমে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যের চেক-সংক্রান্ত মামলার বিচার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এখতিয়ারে দেওয়া হয়েছে। আর পাঁচ লাখ টাকার বেশি অঙ্কের চেকের মামলার বিচার হবে যুগ্ম দায়রা জজ পর্যায়ের আদালতে।
গত রোববার এ-সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশ গেজেট আকারে জারি করা হয়েছে। এ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৮৮১ সালের নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস আইনের ১৪১ নম্বর ধারার ক্লজ (সি) প্রতিস্থাপন করে নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, ওই আইনের ধারা ১৩৮-এর অধীন চেক ডিজঅনারের অপরাধের বিচার চেকের অঙ্কের ভিত্তিতে আলাদা আদালতে হবে।
সংশোধনীতে বলা হয়েছে, কোনো চেকের ফেস ভ্যালু বা লিখিত মূল্য পাঁচ লাখ টাকার বেশি হলে সেই মামলার বিচার মেট্রোপলিটন যুগ্ম দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের নিচে কোনো আদালতে করা যাবে না। অর্থাৎ বড় অঙ্কের চেকের মামলার বিচার সরাসরি যুগ্ম দায়রা জজ পর্যায়ে হবে। অন্যদিকে, পাঁচ লাখ টাকা বা তার কম অঙ্কের চেকের ক্ষেত্রে ধারা ১৩৮-এর অধীন অপরাধের বিচার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এ সংশোধনের ফলে চেকের পরিমাণভিত্তিক বিচারিক স্তর স্পষ্ট হলো। এতে বড় অঙ্কের আর্থিক বিরোধ দ্রুত ও উচ্চতর আদালতে নিষ্পত্তির সুযোগ তৈরি
হবে। একই সঙ্গে তুলনামূলক ছোট অঙ্কের মামলাগুলো ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেই নিষ্পত্তি হওয়ায় বিচার প্রক্রিয়ায় গতি আসবে। একই সঙ্গে ভোগান্তি কমবে।
