Advertise with us
শিরোনাম
Advertise with us

ব্যাংকারদের পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে

অর্থনীতি ডেস্ক   |   মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১৩৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ব্যাংকারদের পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে

রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক চাপের মধ্যেও ব্যাংকারদের পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা ও আস্থার জন্য স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, আর্থিক ও নিরীক্ষা বিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করা এবং ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) অর্থায়নে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি। এসএমই খাত কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ কারণে এ খাতে ঋণ বাড়াতে হবে।

গতকাল সোমবার রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটিতে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর উপস্থিত ছিলেন।

অর্থ উপদেষ্টা সোনালী ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতা, সুশাসন, জবাবদিহি ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে সোনালী ব্যাংকে মূলধন ঘাটতি নেই এবং এডি রেশিও সন্তোষজনক। বাণিজ্যিক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের কারণে সোনালী ব্যাংক সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়া ও স্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সামনে আরও বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সেগুলো মোকাবিলায় দায়িত্বশীল ও পেশাদার আচরণ প্রয়োজন।
ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে বড় ব্যবসার তুলনায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বড় ঋণে ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি থাকে। এসএমই উদ্যোক্তারা মাঠপর্যায়ে কর্মসংস্থান তৈরি করেন। এ কারণে তাদের অর্থায়ন বাড়ানো দরকার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণ করতে পারলেও সময়মতো ঋণ আদায়ে দুর্বলতা রয়েছে। সঠিক গ্রাহক নির্বাচন করা গেলে ঋণ অনাদায়ী হওয়ার ঝুঁকি কমে। তিনি জানান, সোনালী ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি সরকারি ব্যাংকের ওপর অতীতে আরোপিত বিধিনিষেধ এখনও বহাল আছে। ফলে ঋণ বিতরণে সতর্কতা অবলম্বন করা হয় এবং এর কারণে ঋণের প্রবাহ সংকুচিত হয়েছে, যা টেকসই মডেল নয়।

গভর্নর বলেন, আমানত সংগ্রহ করে তা যদি বৃহৎ অর্থনীতিতে অবদান রাখতে না পারে, তাহলে অর্জন সীমিতই থেকে যাবে। সোনালী ব্যাংক সতর্কতার সঙ্গে ঋণ দিচ্ছে– এখন এর সঙ্গে সাহসী সিদ্ধান্তও নিতে হবে। ব্যাংকটির লাভজনকতা বাড়াতে হবে এবং রপ্তানি খাতে পারফরম্যান্স জোরদার করতে হবে।
সম্মেলনে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন অর্থ সচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক। স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের এমডি ও সিইও মো. শওকত আলী খান।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertise with us

ফলো করুন Orthonity Bangladesh-এর খবর

সম্পাদক
শেখ জাহাঙ্গীর আলম
যোগাযোগ