Advertise with us
শিরোনাম
Advertise with us

খামেনির জানাজায় ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে নিয়ে যত কাণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক   |   রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ২৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

খামেনির জানাজায় ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে নিয়ে যত কাণ্ড

তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রোববার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে হাজির হন লক্ষাধিক মানুষ। জানাজা শুরুর আগে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েবিরোধী স্লোগান দেন। কেউ কেউ খামেনিকে হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।

গ্র্যান্ড মোসাল্লা থেকে আলজাজিরার সাংবাদিক তৌহিদ আসাদি জানিয়েছেন, জানাজায় উপস্থিত মানুষের মধ্যে তীব্র আবেগ ও ক্ষোভ দেখা গেছে। চারপাশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে স্লোগান ওঠে। বলা হয়- ‘আমেরিকা ধ্বংস হোক… ইসরায়েল ধ্বংস হোক’। অনেকেই বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়া উচিত।

জানাজায় অংশগ্রহণকারীদের বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি। সেগুলোতে দেখা গেছে, কেউ কেউ হাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর প্রতীক সংবলিত ছবি বহন করছেন।

একটি ছবিতে দেখা গেছে, জনসমুদ্রে একটি ব্যানার বহন করা হচ্ছে। যেখানে লেখা-‘ওয়ান্টেড। পুরস্কার ১০ কোটি ডলার। ট্রাম্প! ইরানের জনগণ শিগগিরই আপনাকে হত্যা করবে।’ তেহরানে সড়কের পাশে একই রকম একটি দীর্ঘ ব্যানার টানানো হয়েছে। যেখানে থাকা মার্কিন প্রেসিডেন্টের মুখের ছবির অংশে লাথি এবং লাঠি দিয়ে আঘাত করেছেন পথচারীরা।

আলজাজিরায় তৌহিদ আসাদি লিখেছেন, সাধারণ ইরানিরা এমন সময়ে প্রতিশোধের দাবি তুলছেন, যখন দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনার প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছে। রাজধানীতে সমবেত লাখ লাখ মানুষের ভিড় থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার স্লোগানও উঠেছে। ৪২ বছর বয়সী নার্স জিবা নাদেরি বলেন, ‘আমি প্রতিশোধ নেওয়ার দাবি শুনেছি। তবে আমাদের নেতা যা করতে বলবেন, আমাদের ঠিক তাই করতে হবে। তাঁর নির্দেশ শুনতে হবে।’

জানাজার নামাজের আগে সমবেত জনতার উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে ইরানের কবি মোহাম্মদ রাসুলি বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্টতম মানুষটি এখনও কেন বেঁচে আছে?’ এরপর তিনি উপস্থিত জনতাকে নিয়ে স্লোগান দেন, ‘আমেরিকা ধ্বংস হোক… ইসরায়েল ধ্বংস হোক’।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন আলী খামেনি। একই হামলায় বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির স্ত্রী, বোন, ভগ্নিপতি ও ১৪ বছর বয়সী ভাগনি প্রাণ হারান। আহত হন মোজতবা ও তাঁর ছোট ছেলে।

এদিকে আলী খামেনির জানাজার আগে মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে সাক্ষাৎকার দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে তিনি বলেন, খামেনির শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে কিছু ইরানিকে কাঁদতে দেখে তিনি বেশ অবাক হয়েছেন। কারণ তাঁর ধারণা ছিল দেশটির মানুষ আলী খামেনিকে ঘৃণা করে। হতে পারে এগুলো নকল কান্না।

আর ইরানের শীর্ষ নেতাদের ইঙ্গিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা সবাই সেখানে (এক জায়গায়) উপস্থিত আছে। মাত্র এক আঘাতে আমরা তাদের শেষ করে দিতে পারি। কিন্তু তা করব না। কারণ, এটা করা হলে আলোচনা করার মতো আর কেউ থাকবে না।’

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertise with us

ফলো করুন Orthonity Bangladesh-এর খবর

সম্পাদক
শেখ জাহাঙ্গীর আলম
যোগাযোগ