Advertise with us
শিরোনাম
Advertise with us

উত্তরায় শপিং কমপ্লেক্সে ভাঙচুর : দুই নারীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

আইন ও বিচার ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ২৬৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

উত্তরায় শপিং কমপ্লেক্সে ভাঙচুর : দুই নারীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

রাজধানীর উত্তরার ‘উত্তরা স্কয়ার শপিং কাম কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সে’ ভয়াবহ হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার দুই নারী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা হলেন- মোছা. চাদনি জামান ওরফে ইভা এবং শামীমা আক্তার সুমা ওরফে নুসরাত নওশিন সুমা।

বুধবার (১৮ মার্চ) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক মো. সুমন মিয়া আসামিদের আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক মো. শামীম হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত মঙ্গলবার রাত সোয়া ৮ টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানার ১৩ নং সেক্টরের জমজম টাওয়ার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর ঘটনার বিষয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারা মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত মর্মে স্বীকার করেন।

এর আগে মঙ্গলবার ১১ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড দেন আদালত।

গত রোববার রাতে ১৩ নম্বর সেক্টরের উত্তরা স্কয়ার শপিং কমপ্লেক্স ঘেরাও করে বিক্ষুব্ধ রিকশা ও অটোরিকশা চালকরা দফায় দফায় হামলা চালায়। পুলিশ বলছে, ঘটনার সূত্রপাত হয় মার্কেটের সামনে একটি রিকশা পার্কিংকে কেন্দ্র করে, তার জেরে সংঘর্ষে ছয়জন পুলিশ আহত হয়েছে।

সরকারি কাজে বাধা এবং পুলিশ আহত হওয়ার ঘটনায় পরের দিন সোমবার উত্তরা পশ্চিম থানায় অচেনা ৭০০ ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করে পুলিশ। এ মামলায় সে দিনে রাতে পুলিশের পক্ষে ৫ জনকে গ্রেপ্তার ও কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য দেওয়া হয়।

অন্যদিকে ওই দিন কমপ্লেক্সটির ইলেক্ট্রিশিয়ান আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ এনে আরেকটি মামলা করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, সোনারগাঁও জনপদ রোডে উত্তরা স্কয়ার শপিং কাম কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সের সামনে এক রিকশাচালকের সঙ্গে দায়িত্বরত নিরাপত্তারক্ষীর কথা কাটাকাাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ওই রিকশাচালক ও তার সঙ্গে থাকা আরও ১৫/২০ জন অজ্ঞাতনামা রিকশাচালক মিলে নিরাপত্তারক্ষী ও শপিং কমপ্লেক্সের লোকজনের ওপর চড়াও হয় এবং তাদের এলোপাথাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করে।

পরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুজব ছড়িয়ে প্রায় ৬০০/৭০০ জন উত্তেজিত লোক লাঠিসোঁটা ও লোহার রড নিয়ে শপিং কমপ্লেক্সে হামলা চালায়। হামলাকারীরা কমপ্লেক্সের নিচতলা ও দোতলার গ্লাস ভাঙচুর করে। এ সময় সুযোগ বুঝে আসামিরা শপিং কমপ্লেক্সের ভেতরে অবস্থিত ‘খাজানা ভ্যারাইটিজ স্টোর’ থেকে ১০ লাখ টাকার মালামাল এবং ‘কে জেড ইমিটেশন জুয়েলারি’ দোকান থেকে ৫ লাখ টাকার গয়না ‘লুট’ করে নিয়ে যায়।

পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গেলে উত্তেজিত জনতা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপরও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ও রাস্তায় আগুন ধরিয়ে দেয় বলেও মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। কমপ্লেক্সের প্রায় ৯ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে মামলায়।

Facebook Comments Box
বিষয় :
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertise with us

ফলো করুন Orthonity Bangladesh-এর খবর

সম্পাদক
শেখ জাহাঙ্গীর আলম
যোগাযোগ